OrdinaryITPostAd

মানুষ কেন নামায পড়েনা?

 
আচ্ছা , কেউ একজন নামাজ পড়ে না কেন ?  
আমি তোমার সম্পর্কে বলছি না আমার প্রিয় ছেলে বা প্রিয় মেয়ে সম্পর্কে বলছি। শুধু প্রশ্নটি নিয়ে চিন্তা কর, যে মানুষ কেন নামাজ পড়ে না? এর অনেকগুলো উত্তর থাকতে পারে। আর এই প্রশ্নের উত্তর আল্লাহর কাছেও আছে,
 উত্তরটা খুবই ভয়ংকর। 

তিনি বলেন, " তুমি আসলে সত্য গ্রহণ করোনি এবং তুমি নামাযও পড়োনি। "

তিনি কাফের সম্পর্কে বলছিলেন। তিনি দুইটা জিনিস বলেছেন, এই লোকটি সত্য গ্রহণ করেনি এবং নামাযও পড়েনি। কথাটা ভাবনার উদ্রেক করে। 

যদি বলা হয়, "তুমি সত্য গ্রহণ করোনি" তার  মানে হলো, আল্লাহর সত্য গ্রহণ করার ব্যাপারে তোমার  অন্তরে কিছু একটা মিসিং আছে। তখন তুমি বলো, না না না আমি আল্লাহকে বিশ্বাস করি, আমি মুসলিম।  "হ্যাঁ তুমি  শুধু তোমার মাথাতেই মুসলিম। কিন্তু এ সত্য তো তোমার  মাথার জন্য না,  এ সত্য তো তোমার  ভিতরের অন্তরের জন্য। তুমি  এখনো অনুভব করছ না যে ব্যাপারটা কেমন সিরিয়াস। তুমি  এখনো উপলব্ধ করছ না যে এটা কী?!? মাঝে মাঝে কোনো বিষয় নিয়ে তুমি  জানো হয়তো কিন্তু এই নিয়ে তুমি  চিন্তা করা থেকে পালিয়ে বেড়াও। এটা সত্য! তুমি জানো বিষয়টা কিন্তু চিন্তা করতে চাও না। আর তাই এটা যেহেতু মিসিং ঠিক এই কারণেই আমি সালাতের কথা ভুলে যাই কখনো কখনো এবং তুমিও  ভুলে যাও কখনো কখনো। এমনটা ঘটে কারণ আমাদের অন্তর কিছুটা  বিভ্রান্ত হয়ে পড়ে। দিনের এই সত্যতা,, আল্লাহ কে? সেই সত্যতা,  সেই অকাঠ্য সত্যতা আমাদের মস্তিষ্কের  পেছনের কোনো সেলফে গিয়ে পড়ে থাকে। আমরা অন্য কিছুতে ব্যস্ত হয়ে পড়ি এবং এই নিয়ে আর  চিন্তা করি না।" আল্লাহ এটাই বলেছেন। 

সুতরাং তোমার নামাজ পড়ার আল্লাহর প্রয়োজন নেই।এমনকি তুমি যদি নামাজ পড়ো আমি পড়তে  বলছি এই কারণেই ,  তখন কি কর? নামাজের জন্য কিভাবে নিয়ত করো তখন?  আমি চার রাকাত নামাজ পড়বো, দাঁড়ালাম,  কারণ আব্বা বারবার পড়তে  বলছেন। আল্লাহু আকবার.......

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বলেছেন, নিয়ত সঠিক না হলে কাজের কোন মূল্য থাকেনা। এমনকি যদি তুমি কাজটা করেও থাকো। কিন্তু তোমার নিয়ত ছিল আমি শুধু তোমাকে বিরক্ত করি, এটাই তোমার নিয়ত। তখন এই নামাজ যেমন আমার কোন উপকার করবে না তেমনি তোমারও কোন উপকার করবে না। তোমার সত্যিকারের আন্তরিক নামাজ থেকে একমাত্র যে উপকৃত হবে, সে হল তুমি নিজে। 

এখন এটাই সেই প্রশ্নের উত্তর,  যে কেন একজন মানুষ নামাজ পড়ে না? 

আরো দুটো কথা তোমার সম্পর্কে বলতে চাই,  তার মাঝে একটা হল; নামাজ পড়ার উদ্দেশ্য কি? কোন কারণে আমরা নামাজ পড়বো ? কারন তুমি হয়তো ভাবছো নামাজ পড়ার উদ্দেশ্য হল- তুমি যেন জাহান্নামের আগুনে না জ্বলো, নামাজ পড়ার উদ্দেশ্য হলো - তুমি যদি নামাজ না পড়ো আল্লাহ তোমাকে ঘৃণা করবেন, নামাজ পড়ার উদ্দেশ্য হল- তুমি যদি নামাজ না পড় তাহলে তুমি শাস্তি পাবে অথবা তুমি আর মুসলিমই থাকবে না, ফেরেশতারা তোমাকে অভিশাপ দেবে, সমস্ত নেতিবাচক বিষয়।

 কিন্তু আল্লাহ ওই সমস্ত উদ্দেশ্যের কথা উল্লেখ করেননি। 

নেতিবাচক (খারাপ) কোন উদ্দেশ্য থেকে মুক্তি পাওয়া নামাজের মূল উদ্দেশ্য নয়। নামাজের মূল উদ্দেশ্য হলো ইতিবাচক (ভালো ) কিছুর দিকে ছুটে চলা। এটাই নামাজের উদ্দেশ্য। 

এমন দুই ছাত্রের মধ্যে পার্থক্য জানো? একজন লেখাপড়া করে যেন সে ফেল না করে। আর অন্যজন লেখাপড়া করে কারন সে ঐ সাবজেক্টটা পড়তে  ভালোবাসেএকজন ছাত্র পড়ালেখা করছে পজিটিভ কিছুর জন্য আর অন্যজন পড়ালেখা করছে কারন সে এমন কিছু থেকে বাঁচতে চাচ্ছে যা নেগেটিভ। 

একজন কর্মচারী যে তার চাকরিকে দারুন ভালোবাসে। অন্য একজন কর্মচারী সে চায় সে যেন চাকরিটা না হারায়। কিন্তু তারা একই চাকরি করছে। একেবারে অভিন্ন চাকরি। কিন্তু একজন চাকরিটা করতে পেরে কি যে খুশি। কত যে আনন্দ তার। আর অন্যজন খুবই হতাশ। সব সময় মনমরা ভাব। কেন? কারণ তাদের একজন এটা  করছে ক্ষতিকর কিছু থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য, আর অপরজন এটা করছে উপকারী কিছু দিকে ছুটে চলার জন্য। 

আল্লাহ কুরআনে যখন আমাদের নামাজ সম্পর্কে বলেছেন  যে কেন আমাদের নামাজ পড়া দরকার?  তিনি মূসা (আঃ) কে উত্তরটা বলে দিয়েছেন যখন তিনি তার সাথে সাক্ষাত করেছিলেন। তিনি বলেছেন,  আমাকে স্মরণ করার উদ্দেশ্যেই নামাজ কায়েম করো। তোমার নামাজ ঠিক রাখো যেন তুমি তোমার রব কে স্মরণ করতে পারো

 আমি তোমাকেই ইতিমধ্যে বলেছি যে তোমার আমার সম্পর্ক খুবই সীমিত। কিন্তু তোমার সাথে আল্লাহর সম্পর্কটা অ~~~অনেক আগে থেকে শুরু হয়েছিলো, আর তার সাথে তোমার এই সম্পর্কটা অনন্তকাল ধরে বলবৎ থাকবে। তাই সেই সম্পর্কটির কথা স্মরণে আনা  আবশ্যক। 

কারণ ভালো যত কিছু তোমার কাছে আসে, তা আসে ওই সম্পর্কটা থেকেই। সামান্য কিছু ভালো জিনিস তোমার বাবার কাছ থেকে আসে, কিছু কিছু ভালো জিনিস। কিন্তু সকল ভাল জিনিস যা তোমার কাছে আসে তা আসে কেবলমাত্র ওই সম্পর্কটির কারণে 

যদি তুমি চাও সকল  উপকারী জিনিস তোমার জীবনে অবস্থান করুক তখন তোমাকে অবশ্যই তার কথা স্মরণ করতে হবে যার নিকট থেকে সকল কল্যানের  আগমন ঘটে, যার নিকট থেকে সকল নেয়ামতের আগমন ঘটে, সকল রিযিকের আগমন ঘটে, সকল হেদায়াতের আগমন ঘটে।  আর তাই আল্লাহ বলছেন, সর্বোত্তম যে উপায়ে তুমি এটা করবে,  তাহলে নামাজের মাধ্যমে তুমি আমাকে স্মরণ করবে, এজন্যই তোমার নামাজ পড়া দরকার।

আচ্ছা পরিশেষে এজন্যই তোমার এটা করা উচিত। কিন্তু তুমি এটা সঠিক নিয়ত সহকারে করছো বলেই  আল্লাহ বলছেন, এখানেই শেষ নয়। এর কিছু উপকারীতাও আছে। কিছু ভালো জিনিস তোমার পথে আসবে যখন তুমি সত্যি সত্যি আল্লাহকে স্মরণ করবে। যখন তুমি আল্লাহকে স্মরণ করবে, যেভাবে তিনি চান সেভাবে, আর যে উপায় তিনি চান তাহলে এই নামাজগুলোর মাধ্যমে। 

তুমি যদি এটা করতে পারো, আল্লাহ বলছেন " নামাজের মধ্যে এ উপকারিতা আছে যে এটা  তোমাকে অশ্লীলতায় পড়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে। কারণ অশ্লীলতা তোমার চারপাশে বিরাজমান। আর আমি 'প্রিয় পুত্র' তোমাকে অশ্লীলতার সম্মুখীন হওয়া থেকে রক্ষা করতে পারবনা। অশ্লীলতা তোমার ফোনে, অশ্লীলতা তোমার স্কুলে, অশ্লীলতা তোমার বন্ধুদের মাঝে,  অশ্লীলতা ঈদের অনুষ্ঠানে, যখন কোন কর্নারে গিয়ে বন্ধুদের সাথে আড্ডা দাও  অশ্লীলতার  উপস্থিতি তুমি সর্বোচ্চ দেখতে পাবে। প্রতিবার যখনই তুমি অশ্লীলতার দিকে এগিয়ে যাবে, তোমার অন্তর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়বে।  আর আল্লাহ বলছেন, যদি তুমি নামাজগুলো আদায়ে যত্নবান হও,  এগুলো তোমাকে অশ্লীলতার কারাল গ্রাস থেকে রক্ষা করবে। 

একবার যদি তুমি অশ্লীলতায়  ডুবে যাও তখন তুমি হয়ে পড়বে যেমন তুমি যখন দূষিত বাতাসে শ্বাস নাও প্রথম প্রথম তোমার কাশি আসবে কিন্তু যদি এতে বেশিক্ষণ অবস্থান করো এক সময় তুমি এতে অভ্যস্ত হয়ে পড়বে,  অশ্লীলতাও ঠিক এরকম। এতে আকন্ঠ নিমজ্জিত থাকলে এক সময় এটাকে আর বড় অপরাধ বলে মনে হবে না, নিজেকে এর থেকে রক্ষা করার কোন বড় গরজ অনুভব করবে না, কারণ তোমার প্রতিরোধ ব্যবস্থা দূষিত হয়ে গেছে, এর পর তুমি এমনকি আরো বিষাক্ত আচরণের জন্য প্রস্তুত হয়ে যাবে, এমনকি আরো জঘন্য বিষয়, এমনকি আরো ঘৃণ্য কাজ যা তোমার দ্বারা সম্পন্ন হয়ে যেতে পারে, অধঃপতনের অতল গহ্বরে হারিয়ে যাওয়া থেকে এই নামাজগুলো তোমাকে রক্ষা করবে। এই জন্যই তোমার নামাজ পড়া দরকার।

এই সমস্ত প্রয়োজনেই তোমার নামাজ পড়া প্রয়োজন। আমি বলেছি এইজন্য না। এ সমগ্র ভ্রমণের শেষে,  সিদ্ধান্তটা সম্পূর্ণরূপে তোমার।  কারণ আল্লাহ হয়তো আগামীকালই আমাকে নিয়ে যেতে পারেন। আল্লাহ হয়তো আমাকে এক বছরের মধ্যেই নিয়ে যেতে পারেন। তোমার আর আমার মাঝের এই সম্পর্কটা বর্তমানে আছে এমনকি আমরা যদি ১০০ বছরও বাঁচি, আমরা এর চাইতে বেশি বাঁচতে পারব না, একটা সময় আছে যখন এর সমাপ্তি ঘটবে। কিন্তু ওই সম্পর্কটি?  তুমি যদি সত্যি ওই সম্পর্কটির সম্মান করতে চাও ,নামাজ পড়ো। তোমার প্রতি এটাই আমার উপদেশ!

এখন আমি পিতা মাতার উদ্দেশ্যে কথা বলবো, এটা হবে  ছোট্ট একটা রিমাইন্ডার আমার জন্য এবং আমাদের সকলের জন্য,  আমাদের পিতা মাতাদের জন্য। 

সন্তানাদি আল্লাহ প্রদত্ত একটা নিয়ামত। তাদেরকে এজন্য দেওয়া হয়নি যাতে আমরা তাদের নিয়ন্ত্রণ করতে পারি। যত বেশি আমরা তাদেরকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবো ততো বেশি হতাশ হব সকল অবস্থাতেই।আমি দেখেছি এমনটা, বিশেষ করে যে পরিবারগুলো তাদের সন্তানদের দীনের সুরক্ষা করতে চাই, তারা যত বেশি তাদের সন্তানদের ওপর জোর করে দীন চাপিয়ে দিতে চাই তত বেশি ওই ছেলে মেয়েগুলো অদ্ভুত সব উপায়ে বিদ্রোহ প্রকাশ করে। কারণ যে বিষয়টা আল্লাহ চান, আপনি তাদেরকে প্রদান করুন।  আপনার ছেলে মেয়েদের কাছে আপনার যে সুযোগ আছে সেটা আপনার আদেশ-নিষেধ মানতে বাধ্য করার জন্য নয়। সুযোগটা এজন্য দেওয়া হয়েছে যেন আপনি তাদেরকে এমন সব বিষয়ে চিন্তা করাতে পারেন যা শুধু আপনার পক্ষেই করানো সম্ভব।

 আপনার বাচ্চাটা ফুটবল পছন্দ করে কারণ সে আপনাকে ফুটবল খেলতে দেখেছে। সে ছবি আঁকা পছন্দ করে কারণ সে তার বাবাকে ছবি আঁকতে দেখেছে।এভাবে আপনি আপনার বাচ্চাটার অন্তরে ভালোবাসা তৈরি করে দিতে পারেন,  কারণ আপনি যেরকম আপনার পক্ষে এটা করা সম্ভব।

 আর যখন বাচ্চাদেরকে বলতে থাকেন তোমার হোম ওয়ার্ক করো, তোমার  হোম ওয়ার্ক কর। আপনার সন্তানের বয়স যখন ৪০ হবে তখন সে বলবে না আমি হোমওয়ার্ক ভালোবাসি। কিন্তু ৪০ বছর বয়সেও সে বলবে আমি ফুটবল ভালোবাসি।আমার বাবা সব সময় ফুটবল খেলতেন। আপনি যা ভালবাসেন তা ট্রান্সফার হয়ে তার ভিতরে চলে যায়। আর যা করতে বলেন তা প্রত্যাখিত হয়ে যায়।এমনটি আপনার ক্ষেত্রেও ঘটেছিল।

 আপনার ছেলে মেয়েদের কথা ভুলে যান। আপনার নিজের বাস্তবতাও ওটাই। আপনার বাবার কিছু কিছু জিনিস যা আপনি  এখনো পছন্দ করেন তা ভালোবাসার মাধ্যমেই আপনার নিকট ট্রান্সফার হয়েছিল। আর আপনার বাবার ওই ব্যাপার গুলো  আপনি অপছন্দ করতেন যা তিনি জোর করে আপনাকে গেলাতে চেয়েছিলেন। আমাদের প্রত্যেকের বাস্তবতা এটাই। সেগুলোই গ্রহণ করেছি যেগুলো ভালোবাসার মাধ্যমে হস্তান্তরিত হয়েছিলো। ঠিক এই ইশারাটাই আমাদের পিতা মাতাতের দেওয়া হয়েছে। সুরাতুল ইসরাতের এই আয়াতে ;

                                         "রাব্বির হামহুমা কামা রাব্বাইয়ানী ছাগীরা "

'রাব্বাইয়ানী' মানে যখন তারবিয়া ব্যবহার করা হয়, একটি চারা গাছ বড় করার জন্য। মানে আপনার চারা গাছটির যত্ন  নিতে হবে। এর স্বযত্নে  প্রতিপালন করতে হবে। গাছটির প্রতি চিৎকার চেঁচামেচি করলেতো হবে না।  তাড়াতাড়ি বড় হও~~ তাড়াতাড়ি লম্বা হও~~~

আপনার একে সময় প্রদান করতে হবে। অনেক সময় পোকামাকড় এসে এর পাতা গুলো খেয়ে ফেলতে চাইবে, আপনাকে তখন পোকামাকড় সরিয়ে দিতে হবে। কখনো কখনো একটু কঠোর আচরণ করতে হবে তবে অতটুকুই যাতে পোকামাকড় গুলো দূর হয়ে যায়। এরপর আবারও এতে পানি দিতে হবে। আমাদের বাচ্চাদের সাথে আমাদের উদাহরণ টা ঠিক এমনই। ঠিক এ কারণেই আমরা আমাদের মাতা পিতাদের জন্য এ দোয়াটা করি। 

আমি দোয়া করছি, আল্লাহ যেন আমাদের সন্তানদেরকে হেদায়েত দান করেন যা শুধু তার পক্ষেই দেওয়া সম্ভব। দোয়া করছি আল্লাহ তাদের অন্তরে স্থিকামা  প্রদান করুন যাতে তারা তাদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারে। আরো দোয়া করছি আল্লাহ যেন তাদের ইব্রাহিম (আঃ) এর দোয়ার মতো করুন 
 যা তিনি সবার জন্য করেছিলেন। 

  " হে আমার রব! আমাকে সালাত কায়েম কারী বানান। আমার বংশধরদের মধ্যে থেকেও "

আল্লাহতালা এখানে উপস্থিত পাঠকদেরকে,  সকল পিতামাতাদেরকে, আমাকে সহ সবাইকে এমন দৃষ্টান্তে পরিণত করুণ যে আল্লাহকে ভালোবাসে এবং যে নামাজ কে ভালোবাসে, যেন আমাদের ছেলেমেয়েরা নামাজের প্রেমে পড়ে যাই,  আমরা যেভাবে নামাজ কে ভালবাসি তা দেখে।












এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

E L A এর নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url